শ্রীলঙ্কার মাটিতে জিম্বাবুয়ের আরেক গর্বের অর্জন
অ্যাওয়ে টেস্টে লিড? জিম্বাবুয়ের জন্য এ প্রায় ভুলে যাওয়া এক স্বাদ। ২০০০ সাল থেকে গত ১৭ বছরে প্রতিপক্ষে মাঠে প্রথম ইনিংসে লিড তারা পেয়েছিল মাত্র চারবার। তিনবার বাংলাদেশের মাটিতে, আরেকবার ওয়েস্ট ইন্ডিজে। সেই তালিকায় যোগ হলো কলম্বো। শ্রীলঙ্কাকে ৩৪৬ রানে অলআউট করে ১০ রানের লিড পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। অবশ্য লিডের আকারটা ৩৩ রানে নিয়ে যেতে না যেতেই তারা দ্বিতীয় ইনিংসে হারিয়ে ফেলেছে ৪ উইকেট!
১০ রান, তা যত কমই হোক না কেন, জিম্বাবুয়ের জন্য তা অবশ্যই গর্বের। শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রথমবারের মতো লিড পাওয়া। সেই মানসিক শক্তিতে বিনা উইকেটে ১৪ রান তুলেও ফেলেছিল তারা। কিন্তু রঙ্গনা হেরাথ টানা তিন ওভারে ৩ উইকেট তুলে নেওয়াতে জিম্বাবুয়ে পড়ে গেল বিপদে। তৃতীয় দিনে লাঞ্চের আগে প্রথম ইনিংসে ১৬০ রানের ইনিংস খেলা আরভিন পেরার শিকার হলে বিপদ আরও বাড়ে তাদের। ২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ভালোই বিপদে আছে সফরকারীরা।
ব্যর্থ হতে চলেছে এই টেস্টে জিম্বাবুয়ের সব প্রচেষ্টা! গ্রায়েম ক্রেমার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট পেয়েছেন। এমনকি শন উইলিয়ামস তাঁর অনিয়মিত স্পিনে নিয়েছেন ২ উইকেট। সফরকারীরা লিড পেতে পারে—এই আলোচনা কালই শুরু হয়েছিল। ২৯৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে যখন দিন শেষ করেছিল শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে তখনো ৬৩ রানে এগিয়ে।
তবে হেরাথকে নিয়ে আজ গুনারত্নে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। ৪৮ রানে এই জুটি ভাঙলে লাকমলকে নিয়ে আরও ২১ রান যোগ করেন গুনারত্নে। একসময় তো মনে হচ্ছিল, শ্রীলঙ্কা বুঝি লিড নিতে দেবে না। কিন্তু ৩ রানের ব্যবধানে লাকমল আর গুনারত্নেকে ফিরিয়ে দলকে ১০ রানের লিড এনে দেন ক্রেমার। ৪৫ রান করে আউট হন গুনারত্নে।
কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে এসে সব গড়বড় করে ফেলল জিম্বাবুয়ে। কে রুখে দাঁড়ায়, আদৌ দাঁড়াতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার।


No comments